শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘে চিঠি পাঠাবে সরকার

অন্তর্বর্তী সরকার শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠাবে। আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এটি কার্যকর হবে বলে সরকারের প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘে চিঠি পাঠাবে সরকার

অন্তর্বর্তী সরকার শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠাবে। আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এটি কার্যকর হবে বলে সরকারের প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। যদিও যমুনা ও আশেপাশের এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ ছিল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথমে কোনো ধরনের বল প্রয়োগ করেনি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর ওঠার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এই সময় কোনো গুলি ছোড়া হয়নি।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ। পুলিশ এই প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে, এই সময় কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ ২৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে তাদের শরীরে গুলির আঘাত নেই।

সরকার পুনর্ব্যক্ত করছে যে, শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের আইনগত দিক গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিকট চিঠি পাঠানো হবে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বল প্রয়োগের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সঠিক নয়।