পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক অগ্রগতি ও জনসাধারণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বর্তমান প্রশাসন বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছে বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি উল্লেখ করেন, দূরদর্শী পরিকল্পনা ও প্রশাসনের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপের ফলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।
রোববার দুপুরে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি এলাকায় বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সাহায্য সামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্গত জনগোষ্ঠীর কষ্ট লাঘবের উদ্দেশ্যে রোববার থেকেই সরকারের বিশেষ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়েছে। এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত ও হতদরিদ্র মানুষ অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যশস্য সংগ্রহের সুযোগ পাবেন।
মীর মোহাম্মদ হেলাল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পিত বৈষম্যহীন 'রেইনবো নেশন' বা অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতি গঠনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। পাহাড়ের মানুষের অধিকার রক্ষা ও উন্নয়নে সরকারের বিশেষ নজর রয়েছে জানিয়ে তিনি ঘোষণা করেন, অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠনের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী মহালছড়ি উপজেলার চোংড়াছড়ি, পাকুজ্জাছড়ি ও মাইসছড়ি সহ বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সরাসরি ভুক্তভোগীদের হাতে সহায়তা সামগ্রী তুলে দেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরাসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।