মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রোববার দুপুরে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
কর্মসূচির শুরুর দিন অর্থাৎ ২৫ মার্চ দুপুরে রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই সভায় দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করবেন। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে ইতোমধ্যে পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে এবং বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশের প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছে।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ভোরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সকল কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ওইদিন প্রত্যুষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপির পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এরপর নেতৃবৃন্দ ঢাকায় ফিরে স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সেখানে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ওলামা দলের পক্ষ থেকে দোয়ার আয়োজন করার কথা রয়েছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সারা দেশের জেলা, মহানগর, উপজেলা ও পৌর ইউনিটগুলোকে নিজেদের সুবিধামতো আলোচনা সভা ও প্রাসঙ্গিক কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও নিজস্ব পরিকল্পনায় পৃথক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঘোষিত এসব কর্মসূচি যথাযথভাবে সফল করার জন্য দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন।