ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্বামীর হাত-পা বেঁধে এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার পাগলা থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগী নারীর মা বাদী হয়ে আটজনকে অভিযুক্ত করে পাগলা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী নারীর স্বামী জানান, তারা দুটি কক্ষে বসবাস করেন। একটি কক্ষে তার মা এবং অন্য কক্ষে তিনি, তার স্ত্রী ও সন্তান থাকেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে মুখ বাঁধা অবস্থায় আটজন ব্যক্তি তাদের ঘরে প্রবেশ করেন।
তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা প্রথমে তাকে মারধর করে হাত, পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। এ সময় স্ত্রী তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাকে জোর করে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে বাড়ি থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরের একটি স্থানে নিয়ে তার ওপর সংঘবদ্ধ নির্যাতন চালানো হয়। পরে স্বজনরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী নারীর মা বলেন, ‘আমি এক অসহায় মা। আমার স্বামী প্রতিবন্ধী আছিল, মইরা গেছে। এই মায়াডারে (মেয়ে) লইয়া থাকতাম। যারা আমার মায়াডার এই সর্বনাশ করছে, আমি তাগর কঠিন বিচার চাই।’
এ বিষয়ে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার শিকার ওই নারীকে ফরেনসিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।