শনিবার, 24 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলে এক নারীকে ধর্ষণের অপরাধে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য একজনকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আনম ইলিয়াছ মঙ্গলবার দুপুরের দিকে এই রায় ঘোষণা করেন।

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন
ছবি : সংগৃহীত

টাঙ্গাইলে এক নারীকে ধর্ষণের অপরাধে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য একজনকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আনম ইলিয়াছ মঙ্গলবার দুপুরের দিকে এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত মুকছেদ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম শফি এবং ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সামছুল হক সামছু। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে তাদের আরও দুই বছর বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে। এছাড়া একই মামলায় আব্দুর রহিম নামের আরেক আসামিকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে তাকে অতিরিক্ত ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড খাটতে হবে। এই আসামি জামালপুর সদর উপজেলার কটার বাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দীপু মামলার বিবরণে জানান, ২০২৩ সালের ২২ জুন জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ অঞ্চলের এক নারীকে অভিযুক্তরা টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা এলাকার ইয়াদ আলীর চালা নামক স্থানে একটি টং ঘরে নিয়ে রাতভর নির্যাতন করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে ঘটনার চার দিন পর অর্থাৎ ২৬ জুন মধুপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর মধুপুর থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুস সাত্তার তদন্ত শেষে তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। আদালত ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেন। পুরো বিচারিক প্রক্রিয়ায় মোট সাতজন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। রায় প্রকাশের পর দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে এই মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দীপু এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহান শাহ সিদ্দিকী।