শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

তীব্র তুষারঝড়ের কবলে পড়তে যাচ্ছে আমেরিকা

আর্কটিক অঞ্চল থেকে ধেয়ে আসা তীব্র শৈত্যপ্রবাহে আমেরিকার একটি বিশাল অংশ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের সতর্কতা অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ ওয়াশিংটন ডিসি এবং নিউ ইয়র্কের বেশ কিছু এলাকায় ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি পর্যন্ত ভারী তুষারপাত হতে পারে। শক্তিশালী এই শীতকালীন ঝড়ের প্রভাবে দেশটির প্রায় ৩০টি অঙ্গরাজ্যের অন্তত ১৬ কোটি মানুষ চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।

তীব্র তুষারঝড়ের কবলে পড়তে যাচ্ছে আমেরিকা
ছবিঃ সংগৃহীত

আর্কটিক অঞ্চল থেকে ধেয়ে আসা তীব্র শৈত্যপ্রবাহে আমেরিকার একটি বিশাল অংশ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের সতর্কতা অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ ওয়াশিংটন ডিসি এবং নিউ ইয়র্কের বেশ কিছু এলাকায় ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি পর্যন্ত ভারী তুষারপাত হতে পারে। শক্তিশালী এই শীতকালীন ঝড়ের প্রভাবে দেশটির প্রায় ৩০টি অঙ্গরাজ্যের অন্তত ১৬ কোটি মানুষ চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।

ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে তাপমাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে নেমে হিমাঙ্কের নিচে মাইনাস ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এই হাড়কাঁপানো ঠান্ডার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে শক্তিশালী দমকা হাওয়া, যা জনজীবনে ‘উইন্ড চিল’ বা হিমাঙ্ক পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে। এমন চরম পরিস্থিতিতে টেক্সাস, নর্থ ক্যারোলাইনা এবং সাউথ ক্যারোলাইনায় ইতিমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, তীব্র ঠান্ডায় ভূগর্ভস্থ পানির পাইপ জমে ফেটে যাওয়া এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিতে পারে। তুষারে রাস্তাঘাট ঢেকে যাওয়ায় প্রধান মহাসড়কগুলো কয়েক দিনের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট এবং সাউথ ক্যারোলাইনার গভর্নর হেনরি ম্যাকমাস্টার সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ‘উইন্টার স্টর্ম ফার্ন’ নামের এই ঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট বিপর্যয় আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তীব্র শীতের পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে ‘ফ্রিজিং রেইন’ বা হিমশীতল বৃষ্টির কারণে গাছপালা ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। উদ্ধারকারী দল ও ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদের ইতিমধ্যে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে।