গাজীপুরের টঙ্গীতে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মঞ্জুরুল ইসলাম হাসিব নামের এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।
ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হওয়া ওই তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার ধানমণ্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। একই ঘটনায় আকাশ ও ইমরান হাসান অনিক নামের আরও দুই যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জোবায়ের হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, পুরোনো শত্রুতার জেরে গত মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় পাগাড় ইটের খোলা গেট সংলগ্ন জামতলা রোড এলাকায় আকাশ, অনিক ও হাসিবের সঙ্গে প্রতিপক্ষ জোবায়ের হোসেনের লোকজনের তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সহিংসতায় রূপ নিলে জোবায়ের ও তার সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হয় এবং তিনজনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে আশপাশের লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে হাসিবের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ধানমণ্ডির গ্রীণ লাইফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টঙ্গী পূর্ব থানার পরিদর্শক মো. জিল্লুর রহমান জানান, নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এই সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই এলাকার আয়াত আলীর ছেলে জোবায়ের হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃত আসামিকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।