জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ছাইদুর রহমান নামের এক মাদরাসা শিক্ষককে আইনের আওতায় এনেছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করে। অভিযুক্ত ছাইদুর রহমান উপজেলার হাতিভাঙ্গা ইউনিয়নের সাকোঁয়াপাড়া এলাকার জুরান আলী মিস্ত্রির ছেলে এবং সাকোঁয়া পাড়া মদিনাতুল উলুম মডেল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ৮ বছর বয়সী ওই শিশুটি অভিযুক্ত শিক্ষকের মাদরাসাতেই পড়াশোনা করে। গত ২৬ এপ্রিল দুপুরে শিক্ষক সাইদুর রহমান শিশুটিকে কৌশলে তার নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই সময় শিশুটি কোনোমতে তার হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করে দৌড়ে নিজ বাড়িতে চলে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোমবার অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।