শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

মার্কিন কর্মকর্তাদের দ্রুত মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে বললেন ইরানি ডেপুটি স্পিকার

ইরানের সিরিকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দেশটির সংসদের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ। তাঁর দাবি, এটি কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে হওয়া দুর্ঘটনা নয়। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন কর্মকর্তাদের দ্রুত অঞ্চল ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দ্রুত মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে বললেন ইরানি ডেপুটি স্পিকার

ইরানের সিরিকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দেশটির সংসদের ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ। তাঁর দাবি, এটি কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে হওয়া দুর্ঘটনা নয়। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন কর্মকর্তাদের দ্রুত অঞ্চল ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সংসদের এক ভার্চুয়াল অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন নিকজাদ।

হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রের ধরন এবং টেলিযোগাযোগ টাওয়ার থেকে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলের দূরত্ব বিশ্লেষণ করে এটিকে নিছক ভুল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

নিকজাদের ভাষ্য, হামলাটি যদি কোনোভাবে ‘প্রযুক্তিগত ভুল’ হয়েও থাকে, তাহলেও তা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতাকেই সামনে আনে।

তিনি দাবি করেন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হলেও লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে থাকা বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা হয়েছে।

ইরানি এই ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এখন ‘আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে আনা’র বক্তব্য না দিয়ে বরং ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ মোকাবিলায় মনোযোগ দেওয়া উচিত।

ইরান পরিকল্পিত কৌশল অনুসরণ করেই যুদ্ধ পরিচালনা করছে বলেও দাবি করেন নিকজাদ। তাঁর মতে, তেহরান একসঙ্গে সব সামরিক সক্ষমতা কাজে না লাগিয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবর্তন করছে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা কমান্ড পোস্টে হামলা ইরানের সামরিক শক্তির কেবল একটি অংশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে নিকজাদ বলেন, ‘আপনাদের যে সামান্য সুনাম এখনো অবশিষ্ট আছে, সেটুকুও হারানোর আগে যত দ্রুত সম্ভব অঞ্চলটি ছেড়ে যান।’

এ ছাড়া মার্কিন কমান্ড সেন্টারে হামলার পর দেশটির কয়েকজন সামরিক কমান্ডার হোটেলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। মার্কিন সেনাদের মধ্যে হতাশা ও আত্মহত্যার ঘটনাও বাড়ছে বলে অভিযোগ করেন ইরানি এই নেতা।

তবে আলী নিকজাদের এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।