শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ভোট সংশ্লিষ্ট কারও পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ পেলে পরিণতি খুব খারাপ হবে: ইসি সানাউল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং গ্রহণযোগ্য করতে প্রশাসনের সবাইকে একজোট থাকার আহ্বান জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভোট প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্ব প্রমাণিত হলে তার পরিণতি কঠোর হবে।

ভোট সংশ্লিষ্ট কারও পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ পেলে পরিণতি খুব খারাপ হবে: ইসি সানাউল্লাহ
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং গ্রহণযোগ্য করতে প্রশাসনের সবাইকে একজোট থাকার আহ্বান জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভোট প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্ব প্রমাণিত হলে তার পরিণতি কঠোর হবে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশাল জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব কাজ খোলামেলাভাবে করতে হবে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে এবং নেবে। নাগরিকরা তাদের পছন্দমতো ভোট দেবেন; এটাই আমাদের সীমা।”

তিনি আরও বলেন, “আমি যখন দায়িত্ব পালন করছিলাম, তখন সবকিছুকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে করতে হয়। কোনো ছোট দল, বড় দল, হেভি ওয়েট বা লাইট ওয়েট প্রার্থী—সবার সঙ্গে সমান আচরণ করতে হবে আইন প্রয়োগে।”

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ইসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “নির্দেশনার পরও যদি কেউ পক্ষপাতিত্ব করেন বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে প্রাধান্য দেন, তা প্রমাণিত হলে ফলাফল খুব খারাপ হবে। নির্বাচন কমিশন এতে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এ মুহূর্ত থেকে নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত কোনো নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আতিথ্য গ্রহণ করতে পারবেন না। অপতথ্য ও গুজব রুখতে স্থানীয় পর্যায়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্রুত সত্যটি মিডিয়ার মাধ্যমে জনগণকে জানাতে হবে, কারণ নির্বাচনের ঘনিষ্ঠ সময় যেমন বাড়বে, গুজবের প্রবণতাও তত বাড়বে।”

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আপনি দৃঢ় থাকলে কেউ সুযোগ নিতে পারবে না। তবে শুধুমাত্র বল প্রয়োগ নয়, মধ্যপন্থা অবলম্বন করাও জরুরি।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা খাইরুল আলম সুমন। এতে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।