পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ভোটারদের মাঝে অর্থ বিতরণের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
বুধবার বিকেলে উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম কামাল হোসেন, যিনি ওই ইউনিয়ন জামায়াতের আমির বলে জানা গেছে।
পটুয়াখালী-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর মিডিয়া সেলের প্রধান মো. কামাল হোসেন এই ঘটনাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দাবি করেছেন। তার মতে, পূর্ব শত্রুতার জেরে সাজানো নাটকের মাধ্যমে জামায়াত নেতা কামাল উদ্দিনকে মারধর করে আইনশৃ্ঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. সালাম জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে তিনি থানা হেফাজতে রয়েছেন। অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোসা. মলিহা খানম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে একটি মোবাইল টিম পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ডা. ওহাব মিনার এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছেন যে, মাধবখালী ইউনিয়নের প্রধান নির্বাচন পরিচালনাকারী আমির হোসেন, তার ছেলে এবং সহকারী সৈয়দ কামাল হোসেনকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সমর্থকরা মারধর করে গুরুতর আহত করেছে। এই হামলার কারণে ওই ইউনিয়নে তাদের নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগের কার্যক্রম বর্তমানে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।