বৃহস্পতিবার, 29 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদগুলোয় শেষ মুহূর্তে আলোচনায় যারা

দলীয় অঙ্গসংগঠনগুলোতে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে নতুন করে গতি আনতে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। এরই ধারাবাহিকতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদগুলোয় শেষ মুহূর্তে আলোচনায় যারা

দলীয় অঙ্গসংগঠনগুলোতে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে নতুন করে গতি আনতে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। এরই ধারাবাহিকতায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

সংগঠনটির শীর্ষ দুই পদে কারা আসছেন—এ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে কৌতূহল ও আগ্রহ তুঙ্গে। বর্তমান ও সাবেক একাধিক নেতার নাম সম্ভাব্য তালিকায় থাকলেও হাইকমান্ডের পছন্দের দিকেও বিশেষ নজর রয়েছে।

জানা গেছে, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি চূড়ান্ত করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। এতে পদপ্রত্যাশীদের তৎপরতা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। অনেকেই নিজেদের অতীত আন্দোলন-সংগ্রামের ভূমিকা নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরছেন।

২০২৪ সালে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে যুবদলের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। প্রায় ২২ মাস পার হলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় রাষ্ট্রীয় ও সাংগঠনিক দায়িত্বের চাপও বেড়েছে।

দলীয় নেতাদের একাংশের মতে, অনুকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও আংশিক কমিটি দীর্ঘ সময় ধরে পূর্ণাঙ্গ না হওয়া বর্তমান নেতৃত্বের ব্যর্থতাকেই নির্দেশ করে। কয়েক মাস আগে ১৫১ সদস্যের একটি কমিটি অনুমোদনের জন্য হাইকমান্ডে জমা দেওয়া হলেও সেটিকে কেউ কেউ ‘মাইম্যান’ কমিটি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

এ অবস্থার মধ্যেই নতুন কমিটি গঠনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। শীর্ষ দুই পদে বর্তমান কমিটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার পাশাপাশি সাবেক ও বর্তমান ছাত্র ও যুবনেতাদের নামও আলোচনায় রয়েছে।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক—এই দুই শীর্ষ পদে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেল এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন।

এছাড়া ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলামও যুবদলের নেতৃত্বে আসতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। একই সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক দলে দায়িত্ব না পেলে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রওনকুল ইসলাম শ্রাবণও যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বে জায়গা পেতে পারেন—এমন গুঞ্জন রয়েছে।

অন্যদিকে আলোচনায় আছেন যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন হাসান, সাবেক প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল কবীর পল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুব হাসান পিংকু, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, সাইদ ইকবাল টিটু, সাবেক সহ-শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল আলম টিটু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম, এবং ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল।