ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। এমনকি মার্কিন বাহিনীর বিমানকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে হামলা চালানোর অনুমতিও দেননি তিনি।
বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের অবস্থানের ব্যাখ্যা দেন স্টারমার। সেখানে তিনি জানান, জাতীয় স্বার্থ ও নীতিগত অবস্থান বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্টারমার বলেন, “আমার লক্ষ্য জাতীয় স্বার্থে শান্ত ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দেওয়া। যত চাপই থাকুক, আমাদের মূল্যবোধ ও নীতির পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর শক্তি থাকতে হবে।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইরান প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের নীতির কথাও তুলে ধরেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তার ভাষ্য, আলোচনার মাধ্যমেই সংকটের সমাধান হওয়া উচিত, যাতে ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করতে রাজি হয়।
স্টারমার আরও বলেন, “এই কারণেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, যুক্তরাজ্য প্রথম দফার হামলায় অংশ নেবে না। এটি ভেবে-চিন্তে নেওয়া সিদ্ধান্ত, যা জাতীয় স্বার্থে নেওয়া হয়েছে, এবং আমি এই সিদ্ধান্তে অটল।”
সূত্র: বিবিসি