দেশের স্কুলগুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিল সরকার। প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তিতে আগামী বছর থেকে আর লটারি পদ্ধতি থাকছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।
সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়-এ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সরকারি ও বেসরকারি—সব ধরনের স্কুলের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “ক্লাস ওয়ানে মেধা যাচাই করার প্রশ্ন আসে না।”
এই সিদ্ধান্তের ফলে আবার কোচিং নির্ভরতা বাড়তে পারে—এমন প্রশ্নে তিনি তা নাকচ করে দেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা এমন কোন মেধার পরীক্ষা নিতে যাব না। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা তাদের পরীক্ষা নেব।”
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষা খাতের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথাও জানান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-এর চেয়ারম্যান হিসেবে ড. মামুন আহমেদ-কে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
এছাড়া দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ এবিএম ওবায়দুল ইসলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য হয়েছেন অধ্যাপক ড. রইসউদ্দিন, আর বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান খান।
এছাড়া ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-তে অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এ অধ্যাপক মোহাম্মদ মাসুদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এ মোহাম্মদ আল ফোরকান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এ অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম-কে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।







