ঝিনাইদহ জেলা শহরের একটি ভাড়া বাড়ি থেকে খুশি খাতুন (১৯) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে শহরের পাগলাকানাই এলাকার সাদাতিয়া সড়কের একটি বাসা থেকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্বামী সোহাগ হোসেন আত্মগোপনে রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খুশি খাতুন গত ১৮ দিন ধরে পাগলাকানাই এলাকার 'আন্তরিক হোটেল' নামক একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি তার স্বামী রিকশাচালক সোহাগ হোসেনের সঙ্গে সাদাতিয়া সড়কের ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তাদের মূল বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়।
প্রতিবেশীরা জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে খুশি ও সোহাগ একসঙ্গে বাসায় ফেরেন। বুধবার সকালে ঘরের ভেতর খুশির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী পালিয়ে গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত স্বামীকে আটকের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।







