আর্কাইভ
ads
logo

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশকাল: ৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪০ এ.এম
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করতে ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশ

ছবি : সংগৃহীত

ads

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে পূর্বের সিদ্ধান্ত খারিজ হয়ে যাওয়ার পর জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ সীমিত করতে পুনরায় নতুন দুটি নির্বাহী নথিতে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ওভাল অফিসে দাপ্তরিক নথিতে সই করার সময়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আগের পর্যবেক্ষণকে অত্যন্ত হতাশাজনক হিসেবে উল্লেখ করেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেই এই প্রশাসনিক আইনি সমন্বয়সাধন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।


প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার বিষয়ের বিশদ ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, নীতিমালার একটি অংশের মূল লক্ষ্য তথাকথিত বার্থ ট্যুরিজম প্রতিরোধ করা। অর্থাৎ শুধুমাত্র সন্তানকে আমেরিকান নাগরিকত্বের সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার অভিপ্রায়ে বিদেশি নাগরিকদের ভ্রমণ ভিসায় মার্কিন মুলুকে আগমন বন্ধ করা। দ্বিতীয় আদেশের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিক অধিকার পাওয়ার অযোগ্যতার পরিধি আরও সম্প্রসারিত করা হয়েছে, যা বিদেশি রাষ্ট্রের স্বার্থে কাজ করা লবিস্টদের সন্তানদের ওপরও প্রযোজ্য হবে।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এই আদেশদ্বয়ের বিস্তারিত কাঠামো জনসমক্ষে পুরোপুরি আনা হয়নি। তবে প্রশাসনিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ভ্রমণার্থী হিসেবে প্রবেশ করে যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান প্রসবের দীর্ঘদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত কৌশল রুখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুদের সূত্রে পরবর্তীতে পুরো পরিবার যেন রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা, ভাতার সুবিধা এবং ভোটাধিকার লাভ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই প্রধান উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ট্রাম্প একই উদ্দেশ্যে একটি নির্দেশ জারি করেছিলেন। কিন্তু দেশটির সুপ্রিম কোর্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের চূড়ান্ত রায়ে সেটিকে মৌলিক আইনবিরোধী আখ্যা দিয়ে বাতিল ঘোষণা করে। মার্কিন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমানায় জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশটির নাগরিকত্বের অধিকারী হয়। ট্রাম্প অবশ্য এই ধারার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে আসছেন। তার মতে, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিচারে এই আইনি ব্যবস্থা মূলত গৃহযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে দাসপ্রথা থেকে মুক্ত ব্যক্তিদের উত্তরসূরিদের অধিকার সুরক্ষার জন্য গঠিত হয়েছিল।

প্রশাসনিক এই পদক্ষেপে আমেরিকান রাজনীতিতে বিতর্ক ও আইনি জটিলতা পুনরায় তীব্র হয়ে ওঠার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অতীতে একই ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগে দেশজুড়ে ব্যাপক গণবিক্ষোভ, ছাত্র আন্দোলন এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিক আদালতে জোরদার আইনি চ্যালেঞ্জের নজির রয়েছে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ