রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পাঁচ শিক্ষক এবং স্থানীয় এক চিকিৎসক ও এক প্রকৌশলীকে ‘সর্বহারা’ পার্টির পরিচয়ে ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে এক শিক্ষক মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে ৬ সেপ্টেম্বর। হুমকির শিকার শিক্ষকেরা হলেন—ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন, গণিত বিভাগের অধ্যাপক গৌর চন্দ্র পাল, সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস এবং নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন ও কৌশিক সরকার।
এ ছাড়া রাজশাহীর এক চিকিৎসক ও এক প্রকৌশলীকেও একইভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাতপরিচয়ে ফোন করে নিজেদের সর্বহারা পার্টির সদস্য পরিচয় দিয়ে কারাবন্দী সদস্যদের জামিনের খরচের কথা বলা হয়। এ জন্য বিভিন্ন অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন বলেন, তাঁর কাছে ফোন করে কলদাতা নিজেকে পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির সদস্য এবং সিরাজ শিকদারের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করেন। পরে পুলিশ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে নম্বরটি ট্র্যাক করে জানা যায়, কলটি মাদারীপুর এলাকা থেকে করা হয়েছে এবং সিমটি মুফতি রেজাউল করিম নামে এক ব্যক্তির এনআইডিতে নিবন্ধিত।
আরেক ভুক্তভোগী ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ফোনটি ভুয়া বা প্রতারণামূলক বুঝতে পেরে তিনি দীর্ঘ কথা না বাড়িয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে একই ধরনের হুমকির বিষয়টি জানতে পারেন।
ঘটনার দিন সন্ধ্যায় অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে বিষয়টি অবহিত করেন।
এ বিষয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজুন জানান, হুমকির ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
সারাদেশ
‘সর্বহারা’ পরিচয়ে রাবির পাঁচ শিক্ষকসহ ৭ জনকে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পাঁচ শিক্ষক এবং স্থানীয় এক চিকিৎসক ও এক প্রকৌশলীকে ‘সর্বহারা’ পার্টির পরিচয়ে ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে এক শিক্ষক মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।