রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে হানি ট্র্যাপে ফেলে এক ব্যক্তিকে জিম্মি করে তাঁর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় জিম্মি ব্যক্তিকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. সোহান (২১) ও নার্গিস আক্তার।
কামরাঙ্গীরচর থানা-পুলিশ জানায়, গত বুধবার দুপুরে দুই অজ্ঞাতপরিচয় নারী বাসা পরিবর্তনের কথা বলে আসবাবপত্র সরাতে সহায়তা চান। এ সময় মো. সামিউল ইসলাম (২৮) তাঁদের সহায়তা করতে এগিয়ে আসেন। পরে কৌশলে তাঁকে কৌশিক আহমেদ মন্টুর বাসায় নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাঁর ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।
পরে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও সামিউলের স্ত্রীর কাছে পাঠানোর ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীর বড় ভাই থানায় অভিযোগ জানানোর পর অভিযান শুরু করা হয়। বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সোহানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কৌশিক আহমেদ মন্টুর বাসায় অভিযান চালিয়ে নারী পুলিশের সহায়তায় তাঁর স্ত্রী নার্গিস আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় জিম্মি সামিউলকেও উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।