বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

৪ মাস পর ছাড়পত্র পেয়ে ভারতে ঢুকলো সুপারিবাহী ১৭৬ ট্রাক

ভারত থেকে কাঙ্ক্ষিত মান পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ায় বেনাপোল বন্দরে দীর্ঘ চার মাস ধরে আটকে থাকা ১৭৬টি সুপারিবাহী ট্রাক অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে। গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই রপ্তানি প্রক্রিয়ায় এরই মধ্যে সবগুলো ট্রাক ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করেছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য সচল হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তার অবসান ঘটল।

৪ মাস পর ছাড়পত্র পেয়ে ভারতে ঢুকলো সুপারিবাহী ১৭৬ ট্রাক
ছবিঃ সংগৃহীত

ভারত থেকে কাঙ্ক্ষিত মান পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ায় বেনাপোল বন্দরে দীর্ঘ চার মাস ধরে আটকে থাকা ১৭৬টি সুপারিবাহী ট্রাক অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে। গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই রপ্তানি প্রক্রিয়ায় এরই মধ্যে সবগুলো ট্রাক ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করেছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য সচল হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তার অবসান ঘটল।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন দেখা দেয়। এর প্রভাবে বিশেষ করে সুপারি রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতীয় কাস্টমস থেকে মান পরীক্ষার ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। ফলে শত শত ট্রাক বেনাপোল বন্দরে আটকা পড়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন ব্যবসায়ীরা। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাণিজ্যের এই প্রতিবন্ধকতাগুলো দ্রুত কাটতে শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ভারতে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার সুপারি রপ্তানি হয়। গুণগত মান ভালো হওয়ায় সেখানে দেশি সুপারির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতীয় মান পরীক্ষার ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক থাকায় গত চার মাস ধরে কোনো ট্রাক ওপারে প্রবেশ করতে পারছিল না। ব্যবসায়ীদের মতে, ১৭৬টি ট্রাক আটকে থাকায় প্রতিদিন প্রায় পাঁচ লাখ টাকা করে ডেমারেজ গুনতে হয়েছে তাদের। সম্প্রতি ভারত গম ও চিনি রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর এবার সুপারির ছাড়পত্র দেওয়ায় দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্রাক চালকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর মান পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসায় তারা এখন নির্বিঘ্নে ভারতে প্রবেশ করতে পারছেন। বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরায় ভারতের পক্ষ থেকে একের পর এক শর্ত ও নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হচ্ছে। এতে অন্যান্য পণ্য রপ্তানির পথও সুগম হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বেনাপোল বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আবু তালহা এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটকে থাকা সব ট্রাক এরই মধ্যে ভারতে চলে গেছে। বর্তমানে নতুন যে ট্রাকগুলো বন্দরে আসছে, সেগুলো প্রয়োজনীয় রিপোর্ট সংগেই নিয়ে আসছে, ফলে সীমান্তে আর কোনো জট সৃষ্টি হচ্ছে না। রপ্তানি প্রক্রিয়া নিয়ে বর্তমানে কোনো পক্ষের পক্ষ থেকেই কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।