স্থানীয় বাসিন্দা ও সীমান্ত প্রহরীদের সূত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ফাঁড়ির ওপারে ভারতীয় ভূখণ্ডের উত্তর দিনাজপুর জেলার বসুদেবপুর সীমান্তে দায়িত্ব পালন করছিল দেশটির ১২১ ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। শুক্রবার মধ্যরাতে তিন বাংলাদেশি নাগরিক সীমানা পেরিয়ে ওপারে প্রবেশের চেষ্টা চালালে তাদের লক্ষ্য করে বিএসএফ সদস্যরা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হন আসাদুল। ঘটনাস্থল থেকেই তার দুই সঙ্গী, মুস্তাকিন ও উদা চন্দ্র রায়কে আটক করা হয়। তারা তিনজনই পীরগঞ্জের ইন্দ্রাইল এলাকার বাসিন্দা।
আহত আসাদুলকে আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের কালিয়াগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে নিশ্চিত করেন। পরদিন মরদেহটির সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করে সংশ্লিষ্ট ভারতীয় পুলিশ প্রশাসন।
সীমান্তে এ ধরনের রক্তক্ষয়ী ঘটনার খবর পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ প্রশাসন। অন্যদিকে দিনাজপুর সেক্টরের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এ নিয়ে যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।