বৃহস্পতিবার অর্থ ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন।
কেন্দ্রীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য-উপাত্ত খতিয়ে দেখলে বোঝা যায়, মাত্র ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে এই তহবিলে চোখ পড়ার মতো সুবাতাস এসেছে। গত ১৮ আগস্ট পর্যন্ত মূল অর্থমূল্যের সঞ্চয় রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৭ হাজার ২৪৫ দশমিক ০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ওই একই সময়ে বিপিএম-৬ কৌশলে নিরূপিত স্থিতি হিসাব করা হয়েছিল ৩২ হাজার ৪৩৮ দশমিক ৯০ মিলিয়ন ডলার।
গাণিতিক পরিমাপ বলছে, ওই দুই দিনের ব্যধানে সার্বিক গ্রস তহবিলে ১০৩ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন ডলার যোগ হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মডেল অনুসরণে সঞ্চয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৩ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার।
আন্তর্জাতিক রীতির নীতিমালায় মূল জমা থেকে স্বল্পমেয়াদে পরিশোধযোগ্য দেনাসমূহ বাদ দিয়ে প্রকৃত বা নিট অর্থমূল্যের হিসাব সুনির্দিষ্ট করা হয়ে থাকে, যা মূলত বিপিএম-৬ কৌশলে প্রতিফলিত হয়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধিতে নতুন গতি আসা এবং বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনায় নিয়ম-শৃঙ্খলা জোরদার হওয়ার ফলেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভারসাম্য ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।