জাতীয়
র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এশিয়ার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান হিসেবে পরিচিত র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের কর্ণধার রুনা খান।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এশিয়ার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান হিসেবে পরিচিত র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের কর্ণধার রুনা খান।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতির শিকার হওয়া দূরবর্তী ও চরাঞ্চলের জনগণের সার্বিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকার সার্বিক মূল্যায়নে তাকে এই আন্তর্জাতিক খেতাবে ভূষিত করা হয়। ফিলিপাইনের রাজধানী থেকে পরিচালিত দাতব্য ট্রাস্ট ২০২৬ বর্ষের জন্য তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে, যেখানে তার পাশাপাশি সিঙ্গাপুরের নাগরিক টমি কোহ এবং মিয়ানমারের প্রতিনিধি বো চি-কেও এই সম্মাননার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানায়, ফিলিপাইনের প্রয়াত সপ্তম রাষ্ট্রপ্রধানের স্মৃতি বিজড়িত এই স্মারক আগামী ১৫ নভেম্বর স্থানীয় একটি নাট্যমঞ্চে বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে অর্পণ করা হবে। আকাশযান দুর্ঘটনায় জীবনাবসান হওয়া উক্ত প্রেসিডেন্টের স্মৃতিকে ধারণ করে গত ১৯৫৮ সাল থেকে নিয়মিত বিরতিতে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হচ্ছে, যার ধারাবাহিকতায় তার জন্মবার্ষিকীর বিশেষ ক্ষণে বার্ষিক নামসমূহ ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে, সততা, গণমানুষের ক্ষমতায়ন এবং সমাজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নিঃস্বার্থ অবদানের যে আদর্শ সাবেক এই রাষ্ট্রপ্রধান ধারণ করতেন, তা বিবেচনায় নিয়েই এ বছরের পুরস্কারপ্রার্থীদের চূড়ান্ত করা হয়েছে।
উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের দুর্গম ভৌগোলিক সীমানায় শিক্ষা, চিকিৎসা ও মৌলিক সুবিধা পৌঁছাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন রুনা খান। বিশেষত নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের বেঁচে থাকার অবলম্বন তৈরিতে তার সংস্থাটির সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপসমূহ বৈশ্বিক পর্যায়ে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।