শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

আগামী দিনে কৃষিপণ্যই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত: কৃষিমন্ত্রী

বিশ্ববাজারের চাহিদার কথা মাথায় রেখে দেশের কৃষি ও মৎস্য খাতকে অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।

আগামী দিনে কৃষিপণ্যই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত: কৃষিমন্ত্রী

বিশ্ববাজারের চাহিদার কথা মাথায় রেখে দেশের কৃষি ও মৎস্য খাতকে অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।

তিনি বলেছেন, ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদা মেটাতে ফলন বৃদ্ধির বিকল্প নেই, তবে গুণগত মান নিশ্চিত না করে কেবল উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া যাবে না। খাদ্যের মান ও নিরাপত্তার বিষয়ে সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না বলে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।


রোববার রাজধানীর বনানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘একুয়াকালচার নলেজ ডে-২০২৬’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের সিংহভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কৃষি এবং জলজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে এই দুই খাতের আধুনিকায়ন জরুরি। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে নিরাপদ খাবারের সংকট তৈরি হওয়ায় রাসায়নিক সার, মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কীটনাশক ও অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার কমিয়ে আনার ওপর তাগিদ দেন তিনি। সেই সাথে মাটিতে ভারী ধাতুর উপস্থিতি সনাক্ত করতে সরকারি পর্যায়ে গবেষণা শুরু হওয়ার কথা জানান মন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় পণ্যের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রক্রিয়াজাত ইলিশ এবং কাঁকড়ার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আধুনিক হ্যাচারি প্রযুক্তি ও নদী খননের মাধ্যমে প্রজনন ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করা গেলে এ খাত থেকে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

তরুণ প্রজন্মকে কেবল চাকরির ওপর নির্ভর না করে এ খাতে নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী। একই সাথে নীতি ও নৈতিকতা বজায় রেখে গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনের জন্য খামারি ও উদ্যোক্তাদের পরামর্শ দেন তিনি।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তার সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কর্মশালায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের প্রধান এবং নেদারল্যান্ডসের কূটনৈতিক প্রতিনিধি সহ দেশি-বিদেশি গবেষক ও উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।