দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন থেকে তিনি এসব কথা বলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে দুস্থ, অসহায়, প্রতিভাবান শিক্ষার্থী, নির্যাতিত নারী ও শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট ফান্ড থেকে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদানসহ নারী শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধার জন্য বাইসাইকেল হস্তান্তর করা হয়।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই কন্যাশিশু ও মায়েদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করতে সরকারি সহায়তার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি ভেদাভেদ ভুলে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান।
প্রদত্ত সরকারি আর্থিক সহায়তার অর্থ সদ্ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই অর্থ যদি বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগ করা হয়, তবে পরিবারে স্থায়ী স্বচ্ছলতা আসবে। এর ফলে সন্তানদের পড়াশোনা ও স্বাস্থ্যসেবার ভার বহন করা সহজ হবে। একজন নারীকে আত্মনির্ভরশীল করা মানে পুরো পরিবারের উন্নয়নের পথ সুগম করা।
ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত আয়োজনে ডজনখানেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণের পাশাপাশি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগী, দুস্থ পরিবার, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকল্পে মোটা অঙ্কের অনুদানপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।