জোটের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে যে, সাধারণ ভোটাররা গণভোটে শাসনতন্ত্রকে আমূল রূপান্তরের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন, সামান্য পরিমার্জন বা সংশোধনের পক্ষে নয়। তাদের মতে, জনগণের সেই স্পষ্ট জনাদেশ থাকা সত্ত্বেও নতুন করে সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি তৈরি করা জনআকাঙ্ক্ষার সাথে সাংঘর্ষিক। এই প্রেক্ষিতেই সংশ্লিষ্ট কমিটির সঙ্গে যেকোনো ধরনের সংলাপে না বসার ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেছে এই রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম।
জোটের লিয়াজোঁ কর্মকর্তা ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ মন্তব্য করেন, এমন কমিটি গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনাকারীরা মূলত গণমতের বিপক্ষেই অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে সাধারণ মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন নেই, সেখানে সহযোগিতা করার কোনো যৌক্তিকতা তাদের নেই।
তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে জোটের আইনপ্রণেতারা ইতোমধ্যে আইনসভার অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন। সেই অবস্থানের ধারাবাহিকতায় এখন কমিটির বৈঠকে যোগ দেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। দুপুরের এই সংবাদ সম্মেলনে তাদের আনুষ্ঠানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের বিশদ দিক গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হবে।