মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কোনো ধরনের মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে তেহরান এবং উভয় পক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতের চূড়ান্ত অবসান ঘটার সময় ঘনিয়ে এসেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
উত্তর ক্যারোলিনায় পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির সার্বিক মূল্যায়ন করতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান যে তারা আশা করছেন এই সশস্ত্র সংঘাতের একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছেন। যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কোনো তৃতীয় পক্ষের সহায়তা নেওয়া হয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানান যে বার্তাটি সরাসরি তেহরানের পক্ষ থেকেই এসেছে এবং এ বিষয়ে ইতিবাচক কোনো অগ্রগতির অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।
এর আগে গত জুনের সমঝোতা চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করে দেওয়ার মাধ্যমে একটি ব্যাপকভিত্তিক শান্তি প্রক্রিয়ার সূচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে নানা চড়াই-উতরাই ও উত্তেজনার আবহ বজায় থাকার মধ্যেই এই নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা আন্তর্জাতিক মহলের নজর কেড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে ইরানের সরকারি প্রাতিষ্ঠানিক ভবন, সামরিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যূহের ওপর বড় ধরনের হামলা চালায়। এর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও ইসরায়েলি ভূখণ্ড এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে, যার জেরে পুরো অঞ্চলজুড়ে এক ভয়াবহ সংঘাতের বিস্তার ঘটেছিল।
সূত্র : অনাদোলু