বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

মানহানির মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে সিরাজগঞ্জের একটি আদালত।

আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

মানহানির মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে সিরাজগঞ্জের একটি আদালত।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা আমলি আদালতের বিচারক, অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কর্মকার এ আদেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল সকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। মামলার বাদী সিরাজগঞ্জ জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির।

ওইদিন বিকেলে আদালত আমির হামজার নামে সমন জারি করে। তবে নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

বাদী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, মুফতি আমির হামজা সিরাজগঞ্জের সন্তান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নাস্তিক ও আপাদমস্তক ইসলামবিদ্বেষী বলেছেন। তিনি আরও বলেন, এতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‘টাকা দিয়ে মান হয় না, তাই মামলায় টাকার কথা উল্লেখ করিনি।’ তিনি জানান, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে দণ্ডবিধির ২৯৬, ৫০০ ও ৫০৪ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুল হায়দার (রফিক সরকার) বলেন, তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পেনড্রাইভসহ পূর্ণাঙ্গ মামলা দাখিল করেছিলেন। আদালত তা আমলে নিয়ে সমন জারি করলেও আসামি উপস্থিত না হওয়ায় পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ জেলা প্রশাসনের আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জনসম্মুখে তাকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী আখ্যা দেন মুফতি আমির হামজা।

এ ঘটনার জেরে ৩০ মার্চ সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন। পরবর্তীতে ২ এপ্রিল একই অভিযোগে আরও একটি মামলা দায়ের করেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির।