বৃহস্পতিবার, 22 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দিকে যাচ্ছি: সেনাপ্রধান

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, “সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য আমরা সক্ষম। নির্বাচন নিয়ে সবাই আগ্রহী—সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ। সেখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দিকে যাচ্ছি: সেনাপ্রধান

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, “সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য আমরা সক্ষম। নির্বাচন নিয়ে সবাই আগ্রহী—সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ। সেখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তিন বাহিনীর প্রধানরা গাজীপুর জেলা পরিদর্শন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন জেনারেল ওয়াকার।

তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মাধ্যমে কিছু মানি ট্রানজেকশন হতে পারে। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু অপরাধী থাকতে পারে, কিন্তু সবাই এই ধরনের অপকর্ম করবে না। নির্বাচনের দিন যারা র‍্যাগিং করবে বা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেবে, তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।”

নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, “দিনে-রাতে বিভিন্ন সময় অপারেশনের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের আটক করা হচ্ছে। সবসময় যেন তারা ভয় ও আশঙ্কার মধ্যে থাকে সেই পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই—সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।”

বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের সাধারণ ভোটারদের আস্থা জোগাতে হবে। মাঠে মোতায়েন থাকা সকলের দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াতে হবে, কাউকে বসে থাকতে দেওয়া যাবে না।”

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরিদর্শনকালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধানরা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, ঢাকা বিভাগের গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।

আইএসপিআর আরও জানায়, তিন বাহিনীর প্রধানরা পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

পরিদর্শনকালে তারা ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ কার্যক্রমে মোতায়েন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

গাজীপুর জেলা পরিদর্শনে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।