বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

আমরা সব ধর্মের মানুষকে এক চোখে দেখি: প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি নাগরিককে সমান মর্যাদা ও সুযোগ প্রদানের নীতিতে সরকার অটল রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে জাতি-ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। রোববার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আমরা সব ধর্মের মানুষকে এক চোখে দেখি: প্রধানমন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত

দেশের প্রতিটি নাগরিককে সমান মর্যাদা ও সুযোগ প্রদানের নীতিতে সরকার অটল রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে জাতি-ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। রোববার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে উপলক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ফেডারেশন অব প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চ ইন বাংলাদেশের সভাপতি ফিলিপ পি. অধিকারীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এই সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেয়। মতবিনিময়কালে সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন যে, বর্তমান প্রশাসন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী এবং রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে সব ধর্মালম্বী সমান। তিনি ‘ধর্ম যার যার, দেশ সবার’ এই চেতনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাজনৈতিক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় একটি নির্দিষ্ট দলকে ভোট দেয় না, তবে সাম্প্রতিক নির্বাচনে সব ধর্মের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে। দেশের সামগ্রিক অবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, ক্ষমতা গ্রহণের সময় তিনি একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলেন, যা অনেকটা যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতির সমতুল্য ছিল। এছাড়া বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতার কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় তার সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা কৃষকদের ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড এবং ধর্মীয় নেতাদের ভাতার মতো জনবান্ধব কর্মসূচির জন্য সরকারের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তারা সংসদে সংরক্ষিত আসন এবং ইস্টার সানডেকে সরকারি ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব পেশ করেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের এই দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে উৎসবের বিশেষ স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়।