শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

বাক্‌ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার মির্জা আব্বাসের

বাক্‌ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনকে আরও সহজ ও মর্যাদাপূর্ণ করতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়। তাঁরা আমাদেরই সন্তান, আমাদেরই ভাই, আমাদেরই আত্মীয়।’

বাক্‌ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার মির্জা আব্বাসের
বাক্‌ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মির্জা আব্বাস।

বাক্‌ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনকে আরও সহজ ও মর্যাদাপূর্ণ করতে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নয়। তাঁরা আমাদেরই সন্তান, আমাদেরই ভাই, আমাদেরই আত্মীয়।’

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে অবস্থিত ঢাকা বধির হাইস্কুলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থার বধির জনগোষ্ঠীর উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় প্রায় ২০০ জন বাক্‌ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি অংশ নেন।

সভায় উপস্থিত বাক্‌ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা তাঁদের বিভিন্ন দাবি ও প্রয়োজন লিখিত আকারে মির্জা আব্বাসের কাছে তুলে ধরেন। এ সময় তাঁদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমাদের সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য, তোমাদের জীবনের স্বাচ্ছন্দ্য আনার জন্য আমাদের যা করা দরকার, একজন মানুষ হিসেবে উপলব্ধি করে নির্বাচনের পরপরই আমরা সেই ব্যবস্থা শুরু করব, ইনশাআল্লাহ।’

দাবিদাওয়ার প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস বলেন, তিনি তাঁদের দেওয়া কাগজপত্র দেখেছেন, তবে শুধু লিখিত দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে বাস্তব প্রয়োজন পুরোপুরি উঠে আসে না। তিনি বলেন, ‘তোমাদের দাবি–দাওয়াগুলো আমি দেখলাম। এই দাবি–দাওয়ার কাগজের কোনো প্রয়োজন নাই।…যে দাবি তোমরা দিয়েছো, এতে তোমাদের হবে না। তোমাদের আরও অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। যেগুলো তোমরা লিখতে পারো নাই। এ প্রয়োজনটা আমরা বুঝি।’

তিনি আরও বলেন, যদি এমন কেউ থাকেন, যাঁদের সমস্যা চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব, কিন্তু তা সরকারি ব্যবস্থায় করা না যায়, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতার উদ্যোগ নেবেন। তাঁর ভাষায়, একজন মানুষ হিসেবে যদি তিনি একটি শিশুর মুখে কথা ফুটিয়ে তুলতে সহায়তা করতে পারেন, সেটাকেই তিনি তাঁর জীবনের বড় সাফল্য মনে করবেন।