শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বান্দরবানে পেট্রোল-অকটেন সংকট, ভোগান্তিতে চালকরা

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে হঠাৎ করেই পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার পাম্পগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও পরিবহন চালকরা।

বান্দরবানে পেট্রোল-অকটেন সংকট, ভোগান্তিতে চালকরা
ছবিঃ সংগৃহীত

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে হঠাৎ করেই পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার পাম্পগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও পরিবহন চালকরা।

রোববার (৮ মার্চ) সকাল থেকে জেলা সদরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল, সিএনজি ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পর্যাপ্ত মজুত না থাকায় পাম্পগুলো থেকে গ্রাহকপ্রতি ১০০ টাকার বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। তেলের অভাবে খুচরা ব্যবসায়ীদের অধিকাংশ দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে ভাড়ায় চালিত সিএনজি ও মোটরসাইকেল চালকরা জ্বালানি না পেয়ে যাত্রী পরিবহন করতে পারছেন না, যার প্রভাব পড়ছে তাদের জীবিকার ওপর। জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষও এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ঘুরে পর্যাপ্ত তেল সংগ্রহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

স্থানীয় ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের কাছে অকটেন বা পেট্রোলের কোনো মজুত নেই। উজমা পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার জুয়েল দাশ জানান, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপের কাছে বারবার চাহিদা পাঠানো সত্ত্বেও তারা নতুন করে জ্বালানি পাঠাচ্ছে না। বিষয়টি ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনকেও অবহিত করা হয়েছে।

এদিকে জ্বালানি সংকট নিয়ে জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি জানান, সরকার যেহেতু আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি সংকটের ঘোষণা দেয়নি, তাই কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কেউ যদি তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধ মজুতদারদের শনাক্ত করতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।