২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান খেলবে কি না, তা নির্ধারণের জন্য আজ সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। রোববার এই তথ্য জানিয়েছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি, তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।
নাকভি বলেন, “আইসিসির দ্বৈত নীতি আমরা মেনে চলি না। পাকিস্তান সবসময় ক্রিকেটের নীতির পক্ষে ছিল। বাংলাদেশকে সমর্থন করাও সেই নীতির অংশ।”
তিনি লাহোরে বিশ্বকাপের জন্য নির্বাচিত খেলোয়াড় ও দলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বলেন, “সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিই সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হবে। রাজনীতিকরণ করা ক্রিকেট কারও জন্যই ভালো নয়। সব পক্ষকে খেলাটির নীতি মেনে চলতে হবে।”
নাকভি আইসিসির সেই সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেন, যেখানে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে যাওয়ার অস্বীকৃতি জানায়, আর সেই কারণে এই পদক্ষেপ নেয় আইসিসি।
পিসিবির বোর্ডের অবস্থানের প্রতি খেলোয়াড়রাও পূর্ণ সমর্থন জানায়। তারা বলেন, বোর্ড যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই তারা মেনে চলবেন। নাকভি দলের প্রস্তুতি ও লড়াই করার মানসিকতার প্রশংসা করে বলেন, “দলগত প্রচেষ্টা আর খেলোয়াড়দের দক্ষতা থেকেই সাফল্য আসে।”
বাংলাদেশকে সমর্থনের কারণ ব্যাখ্যা করে নাকভি বলেন, “কোনো দেশ অন্য দেশের ওপর শর্ত চাপাতে পারে না। ক্রিকেট রাজনীতিমুক্ত থাকতে হবে।” তিনি আইসিসির সিদ্ধান্তকে ‘দ্বৈত নীতির প্রতিফলন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
নাকভি আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকের পর পাকিস্তানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।
এরই মধ্যে পিসিবি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দল চূড়ান্ত করেছে। অধিনায়ক সালমান আলীর নেতৃত্বে দলে আছেন বাবর আজম, ফখর জামান, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও শাদাব খান।
ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে এই বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। স্কটল্যান্ডকে গ্রুপ সিতে রাখা হয়েছে, যারা ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি, ইংল্যান্ড ও নেপালের সঙ্গে খেলবে। পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে।