বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বরিশালে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ ১৫ শিক্ষার্থী আহত

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব চলাকালীন দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন শিক্ষক এবং ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরএকরিয়া ও আলীমাবাদ ইউনিয়নে এই পৃথক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

বরিশালে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ ১৫ শিক্ষার্থী আহত
ছবি : সংগৃহীত

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব চলাকালীন দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন শিক্ষক এবং ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চরএকরিয়া ও আলীমাবাদ ইউনিয়নে এই পৃথক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে চরএকরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন আকস্মিক বিকট শব্দে বজ্রপাত আঘাত হানে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম এবং সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আহতদের মধ্যে জান্নাত বেগম, ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা বেগম, সুমাইয়া বেগম, মীম আক্তার, আফরোজ আক্তার ও সুমাইয়া আক্তারের নাম জানা গেছে। দুর্ঘটনার পরপরই অন্য শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আহত শিক্ষার্থীরা জানায়, দুপুরের দিকে হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দে বিদ্যালয়ের ওপর বজ্রপাত হলে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং শিক্ষকসহ অনেকেই অচেতন হয়ে যান। অন্যদিকে একই সময়ে আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। ওই বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য বাহাদুর মৃধা জানান, সেখানেও বজ্রপাতের প্রভাবে আরও আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।

পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির জানান, বজ্রপাতের তীব্র আওয়াজে শিক্ষার্থীরা ভীষণ ঘাবড়ে যায় এবং অনেকেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। তাদের স্থানীয় পর্যায়ে প্রাথমিক সেবা দেওয়া হয়েছে।

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল কাদের জানান, দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আটজন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দেখা গেছে কেউ গুরুতর জখম হননি। মূলত বজ্রপাতের বিকট শব্দে তারা মানসিক আঘাত ও আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ শেষে বর্তমানে তারা শঙ্কামুক্ত এবং সুস্থ রয়েছে বলে জানান এই চিকিৎসক।