শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

চলতি অর্থবছরের ২৭ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭.৩ শতাংশ

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তে এসে প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে। অর্থবছরের ২৭ জুন পর্যন্ত সময়ে দেশে সব মিলিয়ে ৩৫ দশমিক ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

চলতি অর্থবছরের ২৭ জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭.৩ শতাংশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তে এসে প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে। অর্থবছরের ২৭ জুন পর্যন্ত সময়ে দেশে সব মিলিয়ে ৩৫ দশমিক ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এই অঙ্কটি বিগত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি, যা আগের বছর ছিল ৩০ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অর্থবছরের একেবারে শেষ সময়ে এসেও প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স পাঠানো সচল রেখেছেন। কেবল গত ২৫ থেকে ২৭ জুন—এই তিন দিনেই দেশে ১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে।

অবশ্য সামগ্রিক অর্থবছরে বড় প্রবৃদ্ধি হলেও একক মাস হিসেবে চলতি জুন মাসের প্রথম ২৭ দিনে প্রবাসী আয়ের গতি কিছুটা শ্লথ ছিল। এই সময়ে দেশে ২ দশমিক ৪৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২ দশমিক ৪৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফলে জুন মাসের এই নির্দিষ্ট সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে বছরওয়ারি হিসাবে ১ দশমিক ৯ শতাংশের একটি সামান্য ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, জুনের এই সাময়িক নিম্নমুখী প্রবণতা সামগ্রিক অর্জনে তেমন কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। কেননা পুরো ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়েই প্রবাসী আয়ের ধারা ছিল বেশ শক্তিশালী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ধারাবাহিক ও উল্লেখযোগ্য অবদানের ওপর ভর করেই বিদায়ী অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে দুই অঙ্কের এই চমৎকার প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।