শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

দাঁড়িপাল্লার ব্যানার চুরির ঘটনায় কর্মী-সমর্থকদের প্রতিবাদ

নোয়াখালী-৪ আসনের সদরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দুটি নির্বাচনি ব্যানার চুরির ঘটনায় ভিন্নধর্মী প্রতিবাদে নেমেছেন কর্মী-সমর্থকরা। চুরি হওয়া ব্যানারের জায়গায় নতুন দুটি প্রতীকী ব্যানার টাঙিয়ে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তারা প্রচারণা চালান, যা এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দাঁড়িপাল্লার ব্যানার চুরির ঘটনায় কর্মী-সমর্থকদের প্রতিবাদ
ছবিঃ সংগৃহীত

নোয়াখালী-৪ আসনের সদরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দুটি নির্বাচনি ব্যানার চুরির ঘটনায় ভিন্নধর্মী প্রতিবাদে নেমেছেন কর্মী-সমর্থকরা। চুরি হওয়া ব্যানারের জায়গায় নতুন দুটি প্রতীকী ব্যানার টাঙিয়ে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তারা প্রচারণা চালান, যা এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী সরকারি কলেজ গেটের সামনে ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দুটি ব্যানার টাঙানো ছিল। রাতের কোনো এক সময়ে অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা সেগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানার পরপরই সমর্থকরা ওই স্থানে নতুন দুটি ব্যানার লাগিয়ে অভিনব কায়দায় এর প্রতিবাদ জানান।

নতুন ব্যানারে লেখা রয়েছে, ‘নোয়াখালী সরকারি কলেজ গেটের সামনে দাঁড়িপাল্লার দুইটি ব্যানার ছিল জালেমরা রাতে নিয়ে গেছে। প্রতিহিংসার রাজনীতি ছেড়ে আসুন, সকলে মিলেমিশে গড়ি বাংলাদেশ।’

সকালে ব্যানার দুটি চোখে পড়তেই স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করেন এবং অভিনব বার্তার ব্যানার দেখতে ভিড় জমান।

এলাকাবাসী মহিউদ্দিন বলেন, ব্যানার চুরি করে ভোট কমানো যায় না। আর ব্যানার দিয়ে ভোটও আসে না। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে কেউ কারো প্রচারণায় বাধা দেওয়া উচিত নয়।

আরেক বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, দাঁড়িপাল্লার চুরি হওয়া ব্যানারের চাইতে, চুরির প্রতিবাদে দেওয়া ব্যানার দেখতে অনেক মানুষ এসেছে। বলা যায়, এটা নতুন আইডিয়া।

নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রশিবিরের সভাপতি নাজিম মাহমুদ শুভ বলেন, ভোটকে সামনে রেখে এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। এটি প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। যা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনি পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়।