আজ সপ্তাহের মাঝের দিনে সকালে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে আটক ৪৬ বছর বয়সী এনামুল হক রুদ্রকর এলাকার চরসন্দি গ্রামের অধিবাসী। তিনি স্থানীয় বাইশরশি জামে মসজিদে পেশ ইমাম এবং মক্তবের শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।
নাবালিকার স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, স্বাভাবিক নিয়মে গত মঙ্গলবার ভোরে ওই শিশু ও তার ভাই ধর্মীয় শিক্ষার উদ্দেশ্যে মক্তবে গমন করে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সেদিন অন্যান্য শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল না। সুযোগ বুঝে ওই শিক্ষক শিশুটির ভাইকে প্রাঙ্গণের বাইরে পাঠিয়ে ভুক্তভোগীকে হেনস্তা করেন। পরবর্তীতে শিশুটি নিজ গৃহে ফিরে স্বজনদের নিকট ঘটনাটি বিস্তারিত প্রকাশ করে।
ভুক্তভোগী শিশুর পিতা শহিদুল বেপারী অভিযোগ করে জানান, প্রতিকূল আবহাওয়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত থাকার সুযোগে তার পুত্রকে বাইরে পাঠিয়ে কন্যাসন্তানের ওপর অন্যায় স্পর্শ করা হয়। শিশুটি ঘরে ফিরে এসে ঘটনাটি জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেন।
অপরদিকে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বজনেরা এই দাবি পুরোপুরি নাকচ করেছেন।
এনামুল হকের পুত্র এহসানুল হক কাউসার দাবি করেন, তার পিতা একজন সজ্জন ব্যক্তি এবং তাকে চক্রান্ত করে জড়ানো হচ্ছে। পাঠ দিতে না পারায় শিশুটিকে সামান্য ধমক দেওয়া হয়েছিল, যাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ এই মিথ্যা নাটকের অবতারণা করেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পালং থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম জানান, কায়িক নিপীড়নের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশি দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পরিবারের মামলা গ্রহণ করে তাকে বিচারিক আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।