শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

এ সপ্তাহে ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই সম্ভাব্য হামলায় দেশটির উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি থাকলেও কৌশলগত কারণে এর সময়সূচীতে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।

এ সপ্তাহে ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ছবিঃ সংগৃহীত

চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই সম্ভাব্য হামলায় দেশটির উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। সোমবার মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি থাকলেও কৌশলগত কারণে এর সময়সূচীতে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।

ইরানে সম্ভাব্য এই হামলার বিপরীতে তেহরানের পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা ও প্রতিক্রিয়ার ধরণ নিয়ে বর্তমানে ওয়াশিংটনে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এ সংক্রান্ত আলোচনা এখন বেশ উত্তপ্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। মূলত গত মাসে ইরানে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী আন্দোলন কঠোরভাবে দমনের প্রেক্ষাপটেই এই সামরিক তৎপরতার সম্ভাবনা জোরালো হয়। বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে ওই সময় থেকেই তেহরানকে নিয়মিত হামলার হুমকি দিয়ে আসছিল হোয়াইট হাউস।

বিক্ষোভ চলাকালে এক পর্যায়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্দোলনকারীদের সরকারি স্থাপনাগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে এর মাত্র দুইদিন পর তিনি দাবি করেন যে, ইরান সরকার বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করেছে। ট্রাম্পের এমন আকস্মিক সুর পরিবর্তন দেখে অনেকে ধারণা করেছিলেন যে ওয়াশিংটন হয়তো সামরিক অভিযানের চিন্তা থেকে সরে এসেছে। তবে বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করেন, মূল পরিকল্পনা গোপন রাখতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট কৌশলগতভাবে এমন মন্তব্য করেছিলেন।

এই চরম উত্তেজনার মাঝে সৌদি আরব, কাতার ও ওমানের মতো দেশগুলো মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছে। এই তিনটি প্রভাবশালী রাষ্ট্রই ইরানে সরাসরি কোনো সামরিক হামলার ঘোর বিরোধী। তবে মিডল ইস্ট আইয়ের একটি সূত্র দাবি করেছে যে, তখন হামলা না হওয়াটি ছিল কেবল সাময়িক বিরতি মাত্র। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রগুলোর মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা থেকে পিছু হটেননি।