বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৬

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের অন্তত ৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। গত ২৬ এপ্রিল রোববার সকালে এবং বিকেলে দুই দফায় উপজেলা সদরের পৃথক দুটি স্থানে এই সংঘাতের ঘটনা ঘটে।

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৬
ছবি : সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের অন্তত ৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। গত ২৬ এপ্রিল রোববার সকালে এবং বিকেলে দুই দফায় উপজেলা সদরের পৃথক দুটি স্থানে এই সংঘাতের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রথম দফায় সকালে উপজেলা সদরের শান্তিনগর এলাকায় উত্তেজনা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিকেলে হাসপাতাল পাড়ায় দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ। আহতদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারী ও দুই কর্মী রাকিব ও আপন। অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি সুজন মিয়া এবং কর্মী মাহিন ও শরিফুল ইসলাম আহত হয়েছেন। আক্রান্তদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার নেপথ্যে জানা গেছে, গণভোটের রায়সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরস্পরবিরোধী পোস্ট নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কয়েকদিন ধরেই অস্থিরতা বিরাজ করছিল। একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে হাতাহাতি ও পরবর্তীতে তা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

ছাত্রদল নেতাদের দাবি, স্থানীয় মীর ইসমাইল হোসেন ডিগ্রি কলেজে দেয়াললিখনকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবির নেতারা অনলাইনে উসকানিমূলক মন্তব্য প্রচার করেন। এ বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে কথা-কাটাকাটির জেরে শিবিরের কর্মীরা হামলা চালায়। পরবর্তীতে তারা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কর্মী জড়ো করে আবারও আক্রমণ করে।

বিপরীত অভিযোগ তুলে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সকালে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক নেতাকে শান্তিনগর এলাকায় অবরুদ্ধ করার খবর পেয়ে উপজেলা সভাপতি সুজন মিয়া সেখানে গেলে তার ওপর আক্রমণ করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার সাথে থাকা আরও এক শিক্ষার্থী জখম হন।

সার্বিক বিষয়ে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এলাকাটি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে।