নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর সৈকত (৭) নামে এক মাদরাসা ছাত্রের বীভৎস মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে উত্তর নরসিংপুরের বক্তাবলী সড়ক সংলগ্ন হাসেম স্পিনিং মিলের পাশের একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে শিশুটির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সৈকত গাইবান্ধা জেলার বাসিন্দা রাজমিস্ত্রি আঞ্জুর ছেলে এবং স্থানীয় মাহমুদিয়া মাদরাসার ছাত্র ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সৈকতের পরিবার নরসিংপুরের হাসেম স্পিনিং মিল সংলগ্ন ইব্রালাভ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকে। তার মা পেশায় একজন পোশাক শ্রমিক। গত রোববার দুপুরের পর থেকে হঠাৎ করেই সৈকত নিখোঁজ হয়। স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ওইদিন তার কোনো হদিস পাননি। আজ ভোরে স্থানীয়রা পরিত্যক্ত স্থানে একটি শিশুর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
সংবাদ পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রকাশ্য দিবালোকে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্কের ছায়া নেমে এসেছে।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।