বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ববিতা বেগম নামের এক গৃহবধূকে নৃশংসভাবে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি আনারুল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১
ছবি : সংগৃহীত

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ববিতা বেগম নামের এক গৃহবধূকে নৃশংসভাবে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি আনারুল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বৃহস্পতিবার বিকেলে র‍্যাব-১৩ এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে বুধবার দিবাগত রাতে রাজধানীর জসীমউদ্দিন এলাকা থেকে র‍্যাবের একটি যৌথ দল তাকে হেফাজতে নেয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ৩০ বছর বয়সী আনারুল মোল্লা সাদুল্লাপুর উপজেলার চক ভগবানপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত ও নিহতের স্বামী হারুন মোল্লার আপন ভাই।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ১৭ বছরের দাম্পত্য জীবনে ববিতা ও হারুনের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। মনোমালিন্যের জেরে গত ২৪ মার্চ ববিতা তার বাবার বাড়িতে চলে যান। তিন দিন পর স্বামী হারুন ও তার ভাই আশরাফুল সেখান থেকে ববিতাকে বুঝিয়ে পলাশবাড়ীর আমালাগাছি এলাকার ভাড়া বাসায় ফিরিয়ে আনেন। এর পরদিন ২৮ মার্চ সকালে সেই বাসা থেকেই ববিতার বীভৎস গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৩ গাইবান্ধা এবং র‍্যাব-১ পূর্বাচল ক্যাম্পের একটি চৌকস দল ঢাকার জসীমউদ্দিন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনারুলকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর থেকেই তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঢোলভাঙ্গার আমালাগাছি এলাকার ওই ভাড়া বাসা থেকে ববিতার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিচ্ছিন্ন পুরুষাঙ্গও উদ্ধার করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে নিহতের স্বামী হারুন মোল্লার বলে নিশ্চিত করে পুলিশ। ববিতার মা হাসনা বেগম এই ঘটনায় পলাশবাড়ী থানায় কয়েকজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এর আগে ২৯ মার্চ মামলার প্রধান আসামি হারুন মোল্লাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রেপ্তার করেছিল। সর্বশেষ আনারুলকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মামলার তদন্তে নতুন অগ্রগতি এল।