সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এর স্বত্বাধিকারী ইলন মাস্কের তীব্র সমালোচনা করে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অভিযোগ করেছেন যে, মাস্ক ব্রিটিশ রাজনীতিতে অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক বিভাজন তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।
সাউদাম্পটনে হেনরি নোয়াক নামের এক তরুণ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক্স হ্যান্ডেলে মাস্কের সাম্প্রতিক কিছু বার্তার প্রেক্ষাপটে এই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান প্রধানমন্ত্রী।
আঠারো বছর বয়সী হেনরি নোয়াককে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর হত্যাকারী ভিক্রম দিগওয়ারের দেওয়া বর্ণবাদী মিথ্যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হ্যাম্পশায়ার পুলিশ মুমূর্ষু নোয়াককে হাতকড়া পরিয়েছিল। এই ঘটনাকে পুঁজি করে যুক্তরাজ্যের অতি-ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলো সহিংসতা ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং ইলন মাস্ক সামাজিক মাধ্যমে দাবি করছেন যে, যুক্তরাজ্য শ্বেতাঙ্গদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। এমন উসকানিমূলক বার্তার জেরে সাউদাম্পটনে উগ্রপন্থীদের হামলায় ইতিমধ্যে এগারো জন পুলিশ কর্মকর্তা জখম হয়েছেন। এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ নাগরিকদের সহনশীল ও যৌক্তিক আচরণের প্রশংসা করার পাশাপাশি নিহত নোয়াকের পরিবারের ধৈর্য ও সংবেদনশীলতার কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী স্টারমার।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী লেবার পার্টির সংসদ সদস্য জেস আসাতোর আইনি পদক্ষেপের প্রশংসা করেন, যিনি মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সংস্থা এক্সএআই-এর বিরুদ্ধে লন্ডন হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত নারী সংসদ সদস্যের অভিযোগ, মাস্কের তৈরি এআই প্রযুক্তি গ্রোক ব্যবহার করে তাঁর বিকৃত ও কুরুচিপূর্ণ ছবি তৈরি করে এক্স প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।