যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদে চলমান এই সংবেদনশীল আলোচনার নিরাপত্তা, লজিস্টিক ও কূটনৈতিক ব্যবস্থাপনার ব্যয় সামাল দিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কাছে অনানুষ্ঠানিকভাবে ১ মিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা চেয়েছে দেশটি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক দশক পর হওয়া সরাসরি এই আলোচনার আয়োজন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বহন করছে পাকিস্তান। ফলে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা, কূটনৈতিক অতিথিদের থাকা-খাওয়া এবং গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে ব্যয় দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে।
এই তহবিল মূলত নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত মোতায়েন, কূটনৈতিক সুবিধা এবং মিডিয়া অবকাঠামো পরিচালনার কাজে ব্যবহার করা হবে। আলোচনার সময় ইসলামাবাদ কার্যত কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে রাখা হয়েছে।
যদিও বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবে বিশ্লেষকদের মতে এটি প্রমাণ করে যে একটি জটিল ভূরাজনৈতিক মধ্যস্থতা সামাল দিতে গিয়ে পাকিস্তান বড় ধরনের আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পরও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত অগ্রগতি না আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মধ্যস্থতার মাধ্যমে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তার অবস্থান শক্তিশালী করতে পারলেও এর অর্থনৈতিক চাপ দীর্ঘমেয়াদে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।