সোমবার, 19 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

জামায়াতের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ চায় যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে নিযুক্ত এক মার্কিন কূটনীতিকের সঙ্গে নারী সাংবাদিকদের কথোপকথনের একটি গোপন অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার দাবি করেছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওই অডিওতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্ব স্থাপনের আগ্রহের বিষয়টি উঠে এসেছে।

জামায়াতের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ চায় যুক্তরাষ্ট্র
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশে নিযুক্ত এক মার্কিন কূটনীতিকের সঙ্গে নারী সাংবাদিকদের কথোপকথনের একটি গোপন অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার দাবি করেছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওই অডিওতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্ব স্থাপনের আগ্রহের বিষয়টি উঠে এসেছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্যমতে, ওই অডিও রেকর্ডে মার্কিন কূটনীতিককে মন্তব্য করতে শোনা যায় যে, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ইসলামপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়েছে। তিনি ধারণা প্রকাশ করেন যে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন জয়লাভ করতে পারে। এই প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়েই যুক্তরাষ্ট্র দলটির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী, যদিও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেশ কয়েকবার দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

কথোপকথনের এক পর্যায়ে ওই কূটনীতিক উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে জানতে চান, তারা টেলিভিশন টকশো বা সংবাদ অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবিরের নেতাদের আমন্ত্রণ জানাবেন কি না। একই সঙ্গে শিবির নেতারা এমন আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন কি না, তা নিয়েও তিনি কৌতূহল প্রকাশ করেন। জামায়াতের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলটি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশে শরীয়াহ আইন চাপিয়ে দেবে না বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

তবে শরীয়াহ আইন প্রবর্তনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রচ্ছন্ন সতর্কবার্তাও ওই আলোচনায় উঠে আসে। মার্কিন ওই কূটনীতিক জানান, জামায়াত যদি নির্বাচিত হয়ে দেশে শরীয়াহ আইন চালু করে, তবে তার পরের দিনই বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে ওয়াশিংটন। মূলত রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাইলেও আদর্শিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের অনড় অবস্থানের বিষয়টিই এই আলোচনার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে।