ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার কাগমারী গ্রামে জহিরুল ইসলাম (৩২) নামের এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে শ্বশুরবাড়ির একটি কক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্ত্রীর ওপর অভিমান করে জহিরুল আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
নিহত জহিরুল ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ফুলহরি গ্রামের আব্দুল শাহের ছেলে। পেশায় তিনি একজন কসাই ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাগমারী গ্রামের শরিফা খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। পারিবারিক কলহের জেরে গত ৬ মার্চ শরিফা স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। গত ১২ মার্চ স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে শ্বশুরবাড়িতে আসেন জহিরুল। তবে শরিফা তার সঙ্গে যেতে অস্বীকৃতি জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয়।
নিহতের শাশুড়ি শাহেদা খাতুন জানান, সোমবার ভোরে শোয়ার ঘরে জহিরুলের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে তারা চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।