জানা গেছে, ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রশাসনের উপস্থিতিতে কয়েক দিনব্যাপী নিবিড় আলোচনার পর ইসরাইল ও লেবানন একটি কাঠামোগত চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এই অর্জনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, এই চুক্তিটি মূলত দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। তবে ওয়াশিংটনে এই আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হওয়ার পরেও দক্ষিণ লেবানন সীমান্তে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে এখনো বিক্ষিপ্ত লড়াই চলছে। যুদ্ধবিরতির শর্ত কার্যকর থাকলেও সীমান্ত এলাকার সার্বিক উত্তেজনা এখনো পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।
গত শুক্রবারের এই শান্তি প্রক্রিয়ায় হিজবুল্লাহর কোনো আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ ছিল না। এর ফলে দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদীর অববাহিকা থেকে তারা তাদের সশস্ত্র যোদ্ধাদের প্রত্যাহার করে নেবে কি না, সেই বিষয়টি নিয়ে এখনো বড় ধরনের ধোঁয়াশা ও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার এই সংঘাত যদি পুরোপুরি বন্ধ না হয়, তবে ইরানের সাথে হওয়া সার্বিক শান্তি সমঝোতাটি বাধাগ্রস্ত হতে পারে, যেখানে লেবাননসহ সব কটি ফ্রন্টে সংঘাত সম্পূর্ণ বন্ধের অঙ্গীকার করা হয়েছিল।