সোমবার, 12 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

লক্ষ্মীপুরে নির্বাচনি প্রচারে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০

নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে—বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। ঘটনার পর এলাকায় ও হাসপাতালে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরে নির্বাচনি প্রচারে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০

নির্বাচনি প্রচারণাকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে—বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। ঘটনার পর এলাকায় ও হাসপাতালে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বটগাছতলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহতদের মধ্যে জামায়াতের রয়েছেন—চরশাহী ইউনিয়ন যুব বিভাগের সহ-সভাপতি সাকিব হোসেন, সেক্রেটারি আব্দুর রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা এমরান হোসেন ও শাহাদাত হোসেন খোকন। বিএনপির আহত কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন রাসেল ভূঁইয়া, কামাল হোসেন ও আবদুল।

সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। বিএনপি ও জামায়াতের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী সেখানে জড়ো হয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী হাসপাতালে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

এদিকে হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ৮টার দিকে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। সংঘর্ষের জন্য একে অপরকে দায়ী করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতারা পৃথক বক্তব্য দিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্র জানায়, ওই এলাকায় একটি বাড়িতে মহিলা জামায়াতের ‘তালিম’ চলাকালে সেখানে ভোট চাইতে যান সংশ্লিষ্টরা। এ সময় বিএনপি নেতা বোরহান উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড দেখতে চাইলে বিএনপি কর্মী রাসেল ভূঁইয়া ও জামায়াতের যুব নেতা আব্দুর রহমানের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। ভোটার আইডি চাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তর্ক ক্রমে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, “ভোটারদের কাছ থেকে ভোটার আইডি চাওয়ায় তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে মারামারি হয়। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”