মঙ্গলবার, 27 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

নববর্ষের রাতে লি নদীতে আলোর ড্রাগন

নববর্ষের অন্ধকার রাত ভেদ করে শান্ত নদীর বুকে ভেসে উঠল এক অভাবনীয় দৃশ্য—সোনালি আলোয় মোড়া বিশাল এক ড্রাগন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে জলের ওপর। প্রায় এক হাজার মিটার দীর্ঘ সেই ড্রাগনের শরীর থেকে ছড়িয়ে পড়ছে রহস্যময় আলো, আর তার পেছনে ডানা মেলে উড়ছে অগ্নিবর্ণ ফিনিক্স পাখি।

নববর্ষের রাতে লি নদীতে আলোর ড্রাগন
আলোর ড্রাগন , ছবি : সংগ্রহীত

নববর্ষের অন্ধকার রাত ভেদ করে শান্ত নদীর বুকে ভেসে উঠল এক অভাবনীয় দৃশ্য—সোনালি আলোয় মোড়া বিশাল এক ড্রাগন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে জলের ওপর। প্রায় এক হাজার মিটার দীর্ঘ সেই ড্রাগনের শরীর থেকে ছড়িয়ে পড়ছে রহস্যময় আলো, আর তার পেছনে ডানা মেলে উড়ছে অগ্নিবর্ণ ফিনিক্স পাখি।

 

নদীর জলে আগুন আর আলোর প্রতিফলন দেখে মনে হচ্ছিল, যেন কোনো প্রাচীন উপকথা বাস্তব রূপ নিয়ে চোখের সামনে হাজির হয়েছে।

 

ইংরেজি নববর্ষের রাতে এমনই এক মোহনীয় আয়োজনের সাক্ষী হয় চীনের দক্ষিণাঞ্চলের ইয়াংশুয়ো এলাকার ঐতিহাসিক লি নদী। স্থানীয় লি রিভার ফিশিং ফায়ার ফেস্টিভ্যালের ২৪তম আসর উপলক্ষে এই ব্যতিক্রমী ড্রাগন ও ফিনিক্স প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ৭৭টি বাঁশের তৈরি ভেলা আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তৈরি করা হয়েছিল বিশালাকার ড্রাগনটি।

 

চীনা লোকজ সংস্কৃতিতে ড্রাগন শক্তি ও প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে পরিচিত, আর ফিনিক্সকে ধরা হয় শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তাবাহক। এই সাংস্কৃতিক তাৎপর্যপূর্ণ প্রদর্শনী দেখতে নদীর দুই তীরে ভিড় করেন দেশি ও বিদেশি অসংখ্য পর্যটক।

 

রুশ পর্যটক ইরিনা মুগ্ধতা প্রকাশ করে বলেন, “এটি অবিশ্বাস্য বড় এক শো। ড্রাগন আর আতশবাজির এই মেলবন্ধন আমাকে মুগ্ধ করেছে।” তাঁর মতে, ড্রামের তালে তালে চলা এই উৎসব দর্শনার্থীদের সামনে স্থানীয় কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য রূপ তুলে ধরেছে।

 

রাতের আকাশে রঙিন আতশবাজির ঝলক আর নদীর ওপর আলোকিত ড্রাগনের দৃশ্য মিলেমিশে লি নদীর তীরে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় এক স্বপ্নিল আবহে।