শনিবার, 24 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

নির্ভয়ে কথা বলাই গণতন্ত্রের প্রধান শর্ত : রিজভী

মতপ্রকাশের অবারিত স্বাধীনতাই প্রকৃত গণতন্ত্রের প্রধান শর্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, বর্তমান সময়ে দেশের মানুষ কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নিজেদের মনের কথা বলতে পারছেন। এখন আর সত্য উচ্চারণের কারণে কাউকে গুম হওয়ার আতঙ্কে থাকতে হয় না। রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্ভয়ে কথা বলাই গণতন্ত্রের প্রধান শর্ত : রিজভী
ছবিঃ সংগৃহীত

মতপ্রকাশের অবারিত স্বাধীনতাই প্রকৃত গণতন্ত্রের প্রধান শর্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, বর্তমান সময়ে দেশের মানুষ কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নিজেদের মনের কথা বলতে পারছেন। এখন আর সত্য উচ্চারণের কারণে কাউকে গুম হওয়ার আতঙ্কে থাকতে হয় না।

রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী উল্লেখ করেন, বর্তমানে সংসদ, রাজপথ কিংবা টেলিভিশন টকশো—সবখানেই নাগরিকরা নির্বিঘ্নে কথা বলছেন। প্রাণখুলে কথা বলার এই পরিবেশই প্রমাণ করে যে দেশে গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণতন্ত্রের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ একটি মহল এখনো তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণায় লিপ্ত। বিরোধী পক্ষ থেকে নতুন ফ্যাসিবাদের আশঙ্কার কথা বলা হলেও রিজভী স্পষ্ট করেন যে, বিএনপির ইতিহাসে কখনোই ফ্যাসিবাদ কায়েমের নজির নেই।

আগামী স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, হাজার বছরের লড়াই আর অগণিত মানুষের আত্মত্যাগের ফসল আমাদের এই স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে যে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন, সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েই এদেশের সাধারণ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম বিশ্ববাসীর কাছে আজও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ তার কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নপূরণের পথে ধাবিত হচ্ছে। সামাজিক বৈষম্য ও অন্যায় দূর করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার যে প্রতিশ্রুতি বিএনপি দিয়েছিল, বর্তমান সরকার সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্রের এই নতুন যাত্রায় তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং ভিত্তিহীন প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান।

বিগত নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, অতীতে অনেক মিথ্যাচার ও কলঙ্ক লেপনের চেষ্টা হলেও জনগণই চূড়ান্ত বিচারকের ভূমিকা পালন করেছে। সমালোচনা করার অধিকার সবার থাকলেও কুৎসা রটনা করা বা মিথ্যা বলা জনগণের কাম্য নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অপপ্রচার ও মিথ্যাচার মূলত ফ্যাসিবাদের লক্ষণ, যা শেখ হাসিনার আমলের বৈশিষ্ট্য ছিল। যারা বর্তমানে একই পথ অনুসরণ করছেন, তাদের গায়েই শেষ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের তকমা লেগে যাবে।