নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে কঠোর অবস্থানে নির্বাচন কমিশন। ভোটের প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে সকাল সাড়ে ৭টায়, আর শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জনসভা, পথসভা ও মিছিলসহ সব ধরনের প্রকাশ্য প্রচার কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে প্রার্থী বা দলের পক্ষে কেউ গোপন প্রচার কিংবা অর্থ বিতরণে জড়ালে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, প্রচার নিষিদ্ধ থাকার সময় আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।
নির্বাচনী আচরণবিধির ৪(১) উপবিধিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে— ‘কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী কিংবা তাহার পক্ষ হইতে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন-পূর্ব সময়ে উক্ত প্রার্থীর নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা উক্ত এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার চাঁদা বা অনুদান বা উপঢৌকন প্রদান করিতে বা প্রদানের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি প্রদান করিতে পারিবেন না।’
এ ছাড়া শাস্তির বিষয়ে আচরণবিধির ২৭ নম্বর বিধিতে The Representation of the People Order, 1972-এর Article 91B (3) অনুযায়ী বলা হয়েছে— (ক) ‘কোনো প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ডে অথবা অনধিক ১ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।’
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোট নিশ্চিত করতে আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।