শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

নিউ ইয়র্কের মেয়র মামদানির সঙ্গে জায়েদ খানের অভিনয়

যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন অঙ্গনে এক অভূতপূর্ব ও বৈশ্বিক চমক নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের বহুল আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খান।

নিউ ইয়র্কের মেয়র মামদানির সঙ্গে জায়েদ খানের অভিনয়
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন অঙ্গনে এক অভূতপূর্ব ও বৈশ্বিক চমক নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের বহুল আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খান।

প্রবাসীদের বাস্তব জীবনের টানাপোড়েন ও যাপিত জীবনের বৈচিত্র্যময় গল্প নিয়ে নির্মিত বিশেষ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিস’-এর দ্বিতীয় খণ্ডে দেখা যাবে এক অনন্য দৃশ্য। সেখানে বাংলাদেশ এই অভিনেতার সাথে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন খোদ নিউ ইয়র্ক সিটির বর্তমান অত্যন্ত প্রভাবশালী মেয়র জোহরান কোয়ামে মামদানি।

অভিবাসী জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ের গল্পে তৈরি এই বিশেষ প্রজেক্টটি আগামী ২৭ মে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার দিকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘ঠিকানা’-তে বিশ্বব্যাপী অবমুক্ত করা হবে। জন কবির ও সাদ আল আমীনের যৌথ নির্মাণে এই সিরিজের প্রথম খণ্ডটি চলতি বছরের মার্চ মাসে মুক্তি পেয়েছিল এবং দর্শক মহলে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছিল।

শনিবার ভোরের দিকে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক এই কাজের অভিজ্ঞতা ভক্তদের সাথে ভাগ করে নেন জায়েদ খান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি এখানে কেবল নামমাত্র কোনো অতিথি চরিত্রে বা ক্যামিওতে হাজির হননি, বরং পুরো দৃশ্যজুড়ে তাঁর সাথে পূর্ণাঙ্গ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। বিশ্বরাজনীতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্রের একজন শীর্ষ নেতার সাথে একই ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর এই সুযোগকে রূপকথার মতো আখ্যা দিয়ে এই চিত্রনায়ক বলেন, এটি কেবল তাঁর নিজস্ব অভিনয় জীবনের এক বিশাল প্রাপ্তিই নয়, বরং আন্তর্জাতিক বিনোদন মাধ্যমে বাংলাদেশের নাম ও লাল-সবুজের পতাকাকে মর্যাদার সাথে তুলে ধরার এক গৌরবময় উপলক্ষ।

আমেরিকার অন্যতম প্রধান একজন নগরপিতা কীভাবে এই ঘরোয়া স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে সম্মত হলেন, সেই কৌতূহলোদ্দীপক নেপথ্যের গল্পও প্রকাশ করেছেন এই তারকা। তিনি জানান, এই কঠিন কাজটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পেছনে প্রধান কাণ্ডারি হিসেবে কাজ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ও মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ঠিকানা’-র রুহিন হোসেন এবং তাঁর সহধর্মিণী আনুভা শাহীন হোসেন। তাঁরা অফিশিয়াল ইমেইলের মাধ্যমে নিউ ইয়র্ক মেয়রের দফতরে এই প্রজেক্টের স্ক্রিপ্ট ও প্রস্তাবনা পাঠান, যেখানে জায়েদ খানের পূর্ববর্তী অভিনয় জীবন এবং কাজের খতিয়ান বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়। মেয়রের কার্যালয় থেকে সব কিছু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করার পর অভিনয়ের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট শিডিউল বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং সেই অনুযায়ী সম্পন্ন হয় দৃশ্যধারণের কাজ।

চিত্রায়ণের সময় মার্কিন এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দারুণ পেশাদারত্ব ও নম্রতার প্রশংসা করে বাংলাদেশি এই অভিনেতা জানান, নিউ ইয়র্কের মতো মেগাসিটির প্রধান চালিকাশক্তি হওয়া সত্ত্বেও শুটিং সেটে তিনি অত্যন্ত বিনয়ী ও আন্তরিক ছিলেন। পরিচালকদের প্রতিটি সৃজনশীল নির্দেশনা নিখুঁতভাবে মেনে নিয়ে তিনি পুরো দৃশ্যটির কাজ দারুণভাবে উপভোগ করেছেন, যা পুরো টিমকে মুগ্ধ করেছে।